Header

যৌন দুর্বলতা রোধ করুন, দ্রুত বীর্যপাত সমস্যার স্থায় সমাধান- Quic EmissionDetermination Soloution- Part 2

যৌন দুর্বলতা রোধ করুন, দ্রুত বীর্যপাত সমস্যার স্থায় সমাধান- Quic EmissionDetermination Soloution- Part 2

আজকে জানাবো দুটি রোগের সমাধান বা ভালো হবার পদ্ধতি।
প্রথম টি হলোঃ দ্রুত বীর্যপাত।
দ্বিতীয়ঃ একটু উত্তেজনাতেই বীর্য ক্ষয়। এটি আবার কি? খোলাসা করে বলি ধরুন আপনি কোন সুন্দরী বান্ধবী বা নারী বা প্রেমিকাকে নিয়ে রোমান্টিক ভাবনা ভাবছেন। এতে আপনার উত্তেজনা আসা স্বাভাবিক। বা বন্ধুরা মিয়ে নোংরা গল্প বা নোংরা কাটপিস যুক্ত ছবি দেখছেন। আপনার ছোট ভাই শক্ত হয়ে দাড়িয়ে আছে। কিছু পর দেখা গেল ছোট ভায়ের গা ঠান্ড হয়ে যাচ্ছে। সাথে ছোট ভায়ের মুখ দিয়ে পাতলা বমি বাহিরে আসছে। তা দেখতে ভাতের মাড়ের মতো বা পাতলা জেলির মতো। একেই বলে একটু উত্তেজনাতেই বল ক্ষয়। বুঝলেন। বন্ধুরা নীচের লিংকে ক্লিক করে আপনি ঔষধ গুলো দেখে নিতে পারেন। একবার না হলে দ্বিতীয় বার চেষ্টা করুন



৩টি ঔষধের নাম বলছি। যদি যোগাড় করতে না পারেন তাহলে আমার সাথে যোগা যোগ করুন ।
প্রথম ঔষধ হলো -- শুক্রাল ১০।
 এবং দ্বিতীয় হলো বৃহৎ অশ্বগন্ধারিষ্ট (মাধাই দাস কোঃ)।
আর অন্য ঔষধ টার নাম এখানে লিখতে পারছি না। এতে সমস্যা আছে। কারন ঔষধটার যত্রতত্র ব্যবহারে হয়ে উঠতে পারে ক্ষতির কারন। যারা আগ্রহী তারা আমার এখানে কমেন্ট করুন। আমি তাদের নামটা জানিয়ে দেব।
ঔষধ যোগাড় হলেই কি হবে। খাবার নিয়ম জানতে হবে না? তার আগে জেনে আপনার রোগের ধরন টি কি?
যৌন দুর্বলতা একটি এমন সমস্যা। যা আমাদের ধীরে ধীরে মানষীক ভাবে ধংশ করে দেয়। যৌন দুর্বলতার চিন্তার কারনে দিন দিন বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয় দেহ। শরীল হতে শাকে র্শীন্ন ও রোগাক্রান্ত। বাংলাদেশ সহ বিশ্বের প্রায় সব দেশেই দেখা যায় এরোগের মহামারী। এটি একটি নিরন সমস্যা যা আমরা চোখে দেখিনা কিন্তু নিজেরাই অনুভব করি। বাংলাদেশের প্রায় 90 % মানুষ এরোগে আক্রান্ত। বাংলাদেশের কত পুরুষ এ সমস্যার ভুক্তভোগী তা আপনারা ভাবতেই পারবেন না। আপনাদের ভাবনার বাহিরে।
আজ জানাবো কি ভাবে আপনারা যৌন দুর্বলতা রোধ করবেন। যিনারা আমার এই ভিডিও দেখছেন তারা চাইলে ভিডিওর ডিসক্রিপশনে একটা লিংক আছে তাতে গিয়ে আমার ব্লগটি পড়তে পারেন।
তাহলে আসুন বন্ধুরা জেনি নিই কি ভাবে যৌন সমস্যা রোধ করবেন।
প্রথমেই বলে নিই- যৌন সমস্যা যত না শারিলীক ভাবে হয় তার চেয়ে বেশী হয় মানষিক ভাবে। আমাদের একটা ভুল ধারনা আছে- যখন দ্রুত বীর্যপাত হয়ে গেলো তখন আমরা মনে করি এই বুঝি আমার রোগ ধরে গেছে। সবসময় এ চিন্তায় করতে থাকি। আসলে এ নেগেটিভ চিন্তা গুলোই আমাদের আরো অসুস্থ করে ফেলে।
হঠাৎ দু একদিন আপনার দ্রুত বীর্যপাতা হতেই পারে। তাই বলে এটা কি রোগ। না কখনোই নয়। এমন হলে আমরা প্রথমে পাড়ার ডাক্তারের কাছে যাই। তিনি কিছু বুঝে না বুঝেই হাতে ধরিয়ে দেয় স্টিমুলেন্ট জাতীয় ঔষধ। এখানেই আমাদের সর্বনাশ। দশ বা ১৫ টাকা দামের একটা ক্যাপসুল বা ট্যাবলেট আমাদের সাময়িক সুখ দিলেও করে ফেললো নতুন অসুখের গোড়া পত্তন। আপনি তো রাতে ইনজয় করে মহা সুখী আবার সন্ধ্যা না হতেই পাড়ার মফিজের কাছে দৌড়। খুশিতে গদ গদ হয়ে আবারো কেনেন ঔষধ। এখানেই খান্ত নয়। দু একজন কাছের বন্ধুদের ও জানিয়ে দেন। তারাও মফিজের কাছে গিয়ে শুরু করে দেয় গদ গদ পয়সা খরচ।
আপনি কিন্তু নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল চালিয়ে দিলেন। কুড়ালের আঘাত বুঝতে একটু দেরী হচ্ছে। এই যা। এ ভাবে দু চার মাস চলার পর আপনি দেখছেন আর ঔষধ আগের মতো কাজ করছে না। মফিজ কে বলতেই সে ঔষধের মাত্রা কয়েক ডিগ্রী বাড়িয়ে দেয় এবার দাম পড়ে 30 থেকে 50 টাকা। আপনি এতেও খুশি।
এর কিছু দিন পর দেখা যায় আপনি শারিলীক ভাবে অসুস্থ বোধ করছেন। পাড়ার মফিজে আর কাজ না হওয়ায় আপনি গেলেন ভালো কোন ডাক্তারের কাছে। উনি বিভিন্ন টেষ্ট দিয়ে জানালেন আপনার কিডনীতে সমস্যা হয়েছে। সাথে ব্লাড প্রেসার হাই। আপনার শুরু হলো নতুন অধ্যায়।
বন্ধুরা এ পর্যন্ত যদি আপনি এসেই থাকেন তাহলে বলি। পাড়ার মফিজ বা আব্দুলদের খপ্পরে না পড়ে। কিংবা বন্ধুদের মিস গাইডে না আক্রান্ত হয়ে আপনি জেনে নিন। আপনার যদি দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা থাকে তাহলে কি করবেন।

No comments

Powered by Blogger.