Youtube- Video----------Lovely Girl Naba

>
Home / Uncategorized / শিরনাম হীন

শিরনাম হীন

শিরনাম হীন

                      (লাভলী গার্ল নাবা)

                       13/01/2018

 

বন্ধুরা যে গল্প আমি আপনাদের বলবো তা আমার বান্ধবীর। আমার সাথে খুব ভাল সম্পর্ক তাই এ ঘটনা টা আমার সাথে সেয়ার করেছে। আমার বড় ভায়ের কন্ঠে এটা প্রকাশ করলাম। আমার বান্ধবীর অনুমতি নিয়েই। তার ছবিও পোস্ট করলাম। সে এখন ফ্রান্সে থাকে। ভালো কোম্পানীতে জব করে।

 

মিতু যে ভাবে আমার কাছে বলেছে- হবুহ সে ভাবে তুলে ধরছি-

 

For this PDF- Dowenload —– গল্পটি পিডিএফ ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

গল্পটি ডাউনলোড করুন

 

আমি তখন ক্লাস এইটে পড়ি। বাবা মা আর ছোট বোন নিয়ে আমাদের টানাটানির সংসার। পড়ালেখায় ভালো ছিলাম বলে স্কুলের স্যারেরা আমাকে খুব ভালো বাসতো। আমাদের স্কুলের এক স্যার ছিলো। নাম মহসীন। আমার প্রত্যেকদিন খোঁজ খবর রাখতো। আমি প্রাইভেট পড়বো তেমন টাকা আমার বাবার কাছে ছিলো না। অনেক কষ্টে পড়া লেখা করতাম। যখন আমার স্কুলের ২য় সাময়িকী পরীক্ষা হলো তখন আমার অংক ও ইংরেজীর মার্ক কম এলো।

মহসীন স্যার আমায় বলল- কি ব্যপার মিতু তুমি এত মার্ক কম পেলে কেন। আমি স্যারকে বললাম স্যার আমি অংক ও ইংরেজী প্রাইভেট পড়তে পারি নাই।

কেন কি সমস্যা? প্রাইভেট পড়োনাই কেন।

আমি মাথা নীচু করে ছিলাম। স্যার যা বোঝার তা বুঝে গেল। স্যার বলল মিতু আমি আজ তোমাদের বাসায় যাবো।

কখন যাবেন স্যার?

আজ সন্ধ্যায়।

আমি আমতা আমতা করে বললাম কেন যাবেন স্যার।

তোমার বাবার সাথে দেখা করতে যাবো।

কেন স্যার?

কারন তোমার রেজাল্ট খারাপ হচ্ছে। তোমার পড়ালেখার প্রতি তাদের নজর দেওয়া উচিত।

আমি বাসায় চলে এলাম। মহসীন স্যারের কথাগুলো মাকে খুলে বললাম।

মা বলল আচ্ছা আসুক, তোর বাবা তো বাসায় থাকবে কি বলে শোনা যাক।

 

স্যার সন্ধ্যায় আমাদের বাড়িতে এলো। বাবাকে বলল-

মিতু পড়ালেখায় খুব ভালো কিন্তু এবার ইংরেজী ও অংক পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করে নাই। তাকে প্রাইভেট দিন। এখনই যদি বেস ঠিক না হয় তাহলে পরবর্তীতে পড়ালেখা বেশীদুর এগুবে না।

বাবা দীর্ঘ্য শ্বাস ফেলে বলল- ভাই আমি খুবই কষ্ট করে সংসার চলায় দিন আনি দিন খাই। আমার পক্ষে প্রাইভেট দেওয়া সম্ভব নয়।

আমি পাশের রুম থেকে সব শুনছিলাম। আমি জানতাম আমার বাবা আমার প্রাইভেটের ব্যবস্থা করতে পারবে না।

স্যার বলল- ঠিক আছে আমি কাল থেকে মিতুকে নিয়মিত প্রাইভেট পড়াবো। এর জন্য আমাকে কোন টাকা পয়সা দিতে হবে না। আমি প্রতিদিন বিকেল বেলা এসে পড়িয়ে যাবো।

স্যারের কথা শুনে আমার চোখে পানি এসে গেল।

স্যার যাবার আগে বলে গেলেন- মিতু কাল থেকে আমি তোমাকে পড়াতে আসবো। তুমি মন খারাপ করো না। সামনের দিন তোমার রেজাল্ট খুব ভালো হবে।

 

এর্ পর থেকে স্যার প্রতিদিন আমাদের বাড়িতে আসতে লাগলো। স্যার ছিলো অবিবহিত মানুষ। স্যারের অনেক জমাজমি ছিলো। স্যার বাবাকে তার জমি কিছু বর্গা দিলেন। তাতে দিন দিন আমাদের আর্থিক অবস্থাও উন্নতি হতে লাগলো।

আমি এসএসসি গোল্ডেন পেলাম।

আমার সুন্দযৌ দিন দিন প্রস্ফুটিত হতে লাগলো। গ্রামের মানুষের মধ্যে কানা ঘুষা চলতে লাগলো আমি নাকি আমার স্যারের সাথে সম্পর্কে জড়িয়েছি। যদি তাই না হবে তাহলে কেন এত সহযোগীতা।

কিন্তু সত্য বলতে স্যর আমাকে কোন দিন অন্য ভাবে দেখন নাই। দীর্ঘ্য দিনের পরিচয়ে স্যার আমার বন্ধু হয়ে উঠে। মাঝে মধ্যে স্যারের মটোর সাইকেলে করে ঘুরতে বেড় হই এতেই কাল হয়।

 

আমি কলেজে যাই। স্যার প্রতিদিন আমাকে কলেজ থেকে বাসায় পৌঁছে দেন। অনেক সময় আমাদের বাসায় রাতে খাওয়া দাওয়া করে। আমাদের এখন আর অভাব নেই । সব আল্লাহর রহমতে স্যারের সহযোগিতায়।

 

আমার জীবনে কাল রাত্রি নেমে আসে- ঝিপ ঝিপ বৃষ্টি হচ্ছিলো। স্যার আর আমি রুমে গল্প করছে। ক্যারেন্ট না থাকার কারনে রুম অন্ধকার। স্যার খুব বিশ্বস্থ ছিলো বিধায় ঘরে আলো জ্বালানোর প্রয়োজন মনে করি নাই। স্যার একবার বলে, আলো জ্বালাতে আমি বলি আর একটু দেখি কারেন্ট না এলে আলো জ্বালাবো।

 

এমনা সময় আমাদের বাড়িতে আট-দশ জন গ্রামের লোক প্রবেশ করে। তারা বিভিন্ন মন্তব্য করতে থাকে। আমরা নাকি বাসাতে ব্যবসা খুলেছি। আমার বাবা মা নাকি আমাকে দিয়ে ব্যবসা করছে। আমরা রুমের মধ্যে ছিলাম।

লজ্জায় আমার মাথা চক্কর দিয়ে উঠে। আমার জ্ঞান হারাবার অবস্থা।

আমার বাবা মা তাদের বলে আপনারা কেন এসব কথা বলছেন। মহসীন আমার মেয়ের শিক্ষক।

গ্রামের লোকদের ভিতর থেকে কেউ একজন বলে অন্ধকার ঘরে কি তোমার মেয়েকে পড়াচ্ছে নাকি মৌজ মারছে।

স্যার ঘর থেকে বাহির হতে লাগলে আমি তার হাত চেপে ধরে বলি স্যার বাহিরে যাবেন না। ওরা আপনাকে আরো অপমান করবে।

স্যার আমার হাত ছাড়িয়ে নিয়ে ঘর থেকে বাহিরে গেল।

আর সবার সামনে স্যার যা বললো তাতে আমার মাথা দ্বিতীয় দফা চক্কর দিয়ে উঠলো।

স্যার যা বলল- আপনারা আমার স্ত্রী সম্পর্কে একি আজে বাজে মন্তব্য করছেন?

গ্রামের মাতবর বলে- কি বললা মাস্টার। তোমার বৌ?

হ্যাঁ আমার বৌ সবার কাছে এটা প্রকাশ করতাম কিন্তু আরো দেরীতে। আজ যখন এমন পরিস্থতি হয়েয় গেল তখন আর না বলে পারলাম না। মিতুর পড়ালেখার ক্ষতি হবে বলেই এতদিন জনসমক্ষে আনি নাই।

গ্রামের লোকজন দমে গেল কেউ কেউ লজ্জা পেলো। কারন এদের মধ্যে অনেকেই স্যারের জমি চাষ করতো।

গ্রামের লোক চলে গেলে বাবা মাটিতে ধপ করে বসে পড়ে।

মা বলে- সত্যিই কি তোমরা বিয়ে করছো?

আমি দরজা ধরে দাড়িয়ে ছিলাম। স্যার বলল- আমি যদি আজ এ মিথ্যা কথা না বলতাম তাহলে কি অবস্থা হতো। ওরা জোর করে হয় আমাদের বিয়ে দিতো। না হয় থানা পুলিশ করতো। মুখ দেখাতে পারতাম না। মিতুও মুখ দেখাতে পারতো না। আমার পরিবার আত্মীয়দের কাছে আমি মাথা তুলে দাঁড়াতে পারতাম না।

তাই এ মিথ্যা বলা।

আপনারা বিয়ের ব্যবস্থা করুন। আমি কালই মিতুকে বিয়ে করবো।

বাবা বলল- তোমার মা কি মেনে নেবে?

আমি মাকে ম্যানেজ করবো। তার আগে মিতুর সাথে আমার কিছু কথা আছে।

স্যার আমাকে বললো- মিতু আমি কখনোই তোমাকে ছাত্রী ব্যথিত অন্য চোখে দেখি নাই। আজ পরিস্থিতি আমাকে বাধ্য করলো সিন্ধান্ত নিতে। আমি তোমাকে বিয়ে করবো। কিন্তু নামেই হবে আমাদের বিয়ে। তুমি পরবর্তীতে অন্যকাউকে জীবন সঙ্গী হিসাবে বেছে নিতে পারো।

আমি কি বলবো কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। শুধু গলার কাছে কান্না এসে জমা হয়ে ছিলো।

 

 

পর্ব দুই—

 

আমার বাবা ঠিক করলেন আমাদের বিয়ে আসে পাশে দিবেন না। কিন্তু স্যার লোক মারফত খবর পাঠালো গ্রামের মানুষকে দাওয়াত দিয়ে কালই আয়োজন করতে। এর জন্য তিনি নগদ- পঞ্চাশ হাজার টাকা পাঠায়ছেন। স্যারের ছোট ভাই মানে আমার হবু দেবর আমার সাথেই পড়তো সে এসে আমার সাথে ইয়ার্কী শুরু করে দেয়।  আমি ভাবতেই পারছিলাম না আমার জীবনে এসব কি ঘটতে ছিলো।

আমার হবু দেবর- মিজান আমাদের আরো বন্ধু বান্ধবকে বাসায় এনে বিয়ের সব আয়োজন সম্পূর্ন্য করতে থাকে। স্বল্প সময়ের মধ্যে যা করা সম্ভব তা করা হয়। সন্ধ্যায় আমার বিয়ে হয়। স্যার থেকে স্বামীতে রুপান্তর হয় মহসীন। আমার শ্বাশুড়ি মা আসেন। বিয়েতে। আমি ভাবতেই পারিনাই যে তিনি মেনে নিবেন। কারন তিনি চৌধুরী পরিবারের একমাত্র মেয়ে। আর এলাকায় সবায় জানে তিনি খুবই রাগী মানুষ।

আগেই বলেছি বৃষ্টির মৌসুম। গ্রামের ভিতর মাইক্রো চলতে পারবে না। তাই ভুটভুটি বা লসিমনে করে অর্ধ্যেক রাস্তা হেটে অর্ধ্যেক রাস্তা লসিমনে করে শশুড় বাড়িতে গিয়ে পৌছাই।

রাতে খাবার দাবারের পর- আমাদেরকে একঘরে পাঠানো হয়। যা মহসিনের বেড রুম। আমি কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। এখন আমি কি করবো। রাত বারোটার দিকে আমার স্বামী রুমে প্রবেশ করে। তারপর আমাকে বলে মিতু তুমি এখনো ঘুমাও নি। আমি চুপ করে ছিলাম্।

মিতু আমি তোমাকে কিছু কথা বলতে চাই। যা কোন মেয়ের জন্যই সুখের কথা নয়।

আমি বলি বলেন স্যার। বলেই ফিক করে হেসে দিই। মহসিন ও হেসে দেয়।

মহসিন আমার পাশে বসে বলে মিতু

জ্বী

আমি তোমাকে যা বলবো তা শুনি তুমি সহ্য করতে পারবে কি?

কি কথা বলবেন? যা সহ্য করতে পারবো না।

মিতু আমি অক্ষম পুরুষ। তাই এতদিনও বিয়ে করি নাই।

আমি কথার সারমর্ম প্রথমে বুঝতে পারি নাই। মহসিন বলে আমি কখনোই সেক্স করতে পারবো না। কারন আমার পুরুষাঙ্গ নেই বললেই চলে।

আমি আকাশ থেকে পড়লাম।

মিতু তুমি চাইলে আমাকে ছেড়ে চলে যেতে পারো। আমার কোন আপত্তি নেই। কিন্তু তোমাকে শুধু এটুকু বলবো- তোমার যে কলঙ্ক হলো তা মুছতে অনেক কাঠখড়ি পুড়তে হবে।

আমার কি যে হলো আমি জানি না। আমি মহসিনকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কেদে উঠলাম। আর বললাম- আমি তোমাকে ছেড়ে কখনোই যাবো না।

আমার কথা শুনে মহসীনও কেঁদে দেয়।

 

মহসীন যে এত রোমান্টিক ছিলো আমি জানতাম না। আমাদের মধ্যে প্রেম যেন পৃথিবীর সকল প্রেমকে হার মানাবে। মহসীন প্রায় বলতো- মিতু কারও সাথে প্রেম করো। আমি তো তোমাকে শারীরিক সুখ দিতে পারিনা।

আমি এসব কথা শুনে প্রায় রেগে যেতাম।

আমার শাশুড়ি ও দেবর জানতো আমার স্বামী শারীরিক দিক দিয়ে অক্ষম।

এদিকে আমি ও আমার দেবর দুজনেই এইচএসসি পাশ করলাম

আমি চান্স পেলাম জাহাঙ্গীর নগর ইউনিভার্সিটিতে আর আমার দেবর চান্স পেল জগন নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে উঠতে আমার খুব কষ্ট হচ্ছিলো। মহসীনকে ছেড়ে একটা রাতও আমি থাকি নাই। বিয়ের পর এমন কোন রাতনেই যে আমি মহসীনের বুকে মাথা রেখে ঘুমদিই নি। আমাদের মধ্যে কখনোই ঝগড়া হয়নি। ঝগড়া হবে এমন কোন কাজ আমরা দুজনেই কখনো করি নাই।

 

কপারে সুখ বেশীদিন সইলো না। একদিন মহসীন আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রেখে বাসায় ফিরছিলো। শীতের দিন ছিলো সেই সময় বাস বঙ্গবন্ধু সেতুর কাছে এসে অ্যাক্সিডেন্ট করে। তাতেই আমার মহসীন আমার প্রাণ আমার ভালোবাসার মানুষ আমাকে ছেড়ে চলে যায় না ফেরার দেশে।

আমি এখবর শুনে সাতদিন জ্ঞানহারা ছিলাম। আমার শাশুড়ী মাও হার্ট এ্যাটাকে মারা যায়। আমার প্রাণের পাখিকে শেষবারের জন্য দেখতেও পারিনাই। আমার মায়ের মতো শাশুড়ি তাকেও শেষ দেখা হলো না।

নিজের উপর রাগ হতো থাকে- কেন আমি ঢাকায় পড়তে এলাম। যদি না আসতাম তাহলে তো আমার প্রাণ আমাকে ছেড়ে কখনোই যেত না। এমন হতো না।

আমি সিন্ধান্ত নিই আমি আর পড়া লেখা করবো না। আমার এই কথা শুনে আমার দেবর বলে না মিতু তা হয় না। কারন ভাইয়া তোকে অনেক বড় মানুষ করতে চেয়েছিলো। তুই পড়ালেখা শেষ করবি। ভাইয়ার স্বপ্ন পুরন করবি।

এরপর আমরা বাসা ভাড়া নিলাম মাঝামাঝি অংশে যেন আমাদের দুজনের সুবিধা হয়।

একসাথে থাকতে গিয়ে দিন দিন আমি মিজানের উপর দুর্বল হয়ে পড়ছিলাম। কারন মহসীনের সকল গুন তারমধ্যে দেখতে ছিলাম। মিজান আমাকে খুবই কেয়ার করতো। আমার মন খারাপ থাকলে মিজান আমাকে কোথাও না কোথাও বেড়াতে নিয়ে যেতো।

যৌবনের তাড়নায় বলুন আর বিপরীত লিঙ্গের আকর্ষনেই বলুন- মিজানও যে দিন দিন আমার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়তেছিলো তা আমি বুজতে পারছিলাম্। আমরা দুজনেই জানি আমরা এক অপরকে কাছে চাই। আপন করে পেতে চাই। একি সাদের নীচে থেকেও তা একে অপরকে বলতে পারি না কিছুতেই। এতো কাছে থেকেও যেন মনে হয়ে মাঝখানে মোটা দেওয়ালের ব্যবধান।

 

আরো দুটি বছর কেটে যায় আমার অনার্স কম্পিলিট হয়। মিজানের হয় না। কারন সে একবছর পিছিয়ে পড়ে। আমি ফ্রান্সে পড়া লেখার আবেদন করি। ভাগ্য এবারও সহায় হয়। স্কলারশীপ মিলে যায়।

মিজান আমার সকল কাগজ পত্র ঠিক করে দেয়। ফ্রান্স যাবার কয়েকদিন আগে রাতের বেলা মিজান বেলকুনিতে বসে সিগার টানছিলো। আমি অবাক হই। মিজান তো কখনো সিগার টানে না। আজ কি হলো।

আমি তাকে কারন জিজ্ঞাসা করায় বলে- তুই চলে যাবি আমি খুব একা হয়ে যাবো রে মিতু।

আমার এই পৃথিবীতে খোঁজ নেবার কেউ থাকবে না। বলতে বলতে শিশুর মতো আমাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে।

আমিও মিজানকে শক্তকরে জড়িয়ে ধরি। আমার মনে হচ্ছিলো আমি যেন মহসীনকে জড়িয়ে ধরেছি। কখন যে আমাদের চার ঠোঁট এক হয়েছে বুজতেই পারি নাই। দুটি পূর্ণ বয়স্ক নর নারী আদিম খেলায় মেতে উঠতে তৎপর হয়ে উঠি।

শেষ মুহুর্ত্যে মিজান বলে উঠে মিতু আমরা কি এটা ঠিক করছি। আমি বলি ঠিক অঠিক বুজি না। আমি তোর মাঝে আমার মহসীনকে পেয়েছি। আমাকে দুরে ঠেলে দিস না। দুটি দেহ এক হয়ে বিছানায় ঝড় উঠে এক সময় ঝড় থেমে যায়।

 

এখন খুব ভালো আছি । মহসীনকে আমার সবসময় মনে পড়ে। মহসীন মিশে আছে আমার মিজানের ভীতর। মীজান মিশে গেছে মহসীনের সত্তায়।

আমার এক মেয়ে হয়েছে নাম রেখেছি- মহসীনা। এটা মিজানের দেওয়া নাম। আমরা এখন ফ্রান্সেই থাকি। আমার এই লিখাটা আমার বান্ধবীর অনুরোধে পাঠালাম। সে ফ্রান্স আসার আগের সবঘটনা জানতো। বাকি টাও লিখে দিলাম।

—————————————– এই গল্প যেই শুনবেন বা পড়বেন তাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

The title is empty

(Lovely Girl Naba)
13/01/2018

Friends, the story I tell you is my girlfriend. It is a very good relationship with me that this incident has shared with me. I express it in my big brother’s voice. With the permission of my girlfriend. I posted his photos too. She is now in France. Job is good company.

The way Mitu said to me – in the way,

I read the class eight. Our parents with our mother and younger sister. I was very good at the study and I was very good at the school’s sarira. Our school was a sir. Name Mohsin. I used to search every day. My father did not have the money that I read privately. I wrote a lot of trouble. When my school is in second semester exam, my marks and English marks came less.
Mohsin Sir said to me – why do you think so why you get so many marks less? I told Sir, Sir, I could not read numerals and English private.
Why is the problem? Why not read private
I bowed down. Sir understood what he understood. Sir said, “I will go to your house today.”
When will you go sir?
This evening.
I am in charge of the bank, why should I go sir
I’ll go to meet your father.
Why sir?
Because your results are getting worse. They should take care of your education.
I came home. The words of Mohsin sir opened my mother and said.
Mother said come well, let’s hear what your dad will be at home.

Sir came to our house in the evening. The father said,
Mitu is very good at teaching, but now English and mathematics exams are not good results. Give him private If the base is not right now then the study will not progress further.
My father breathed a long time and said, ‘I eat a lot of food for my family, because I am very sad. Private to me is not possible.
I was hearing all from the next room. I knew my father could not arrange my private.
Sir said – Okay, I’ll teach Mitu regularly from tomorrow. I do not have to pay any money for this. I will be coming every afternoon and I will be teaching.
The water came to my eyes after listening to Sir.
Before going to Sir, I said – Mitu will be coming to teach you from tomorrow. Do not be upset. The next day your results will be very good.

After that Sir started coming to our house every day. Sir was unimaginable people Sir had a lot of submergence. Sir gave some barga to his father. Day by day our financial situation also improved.
I got SSC Golden
My beautiful day started blooming. In the village, the law began to run in the saab or I got involved with my sir. If so, why do so much co-operation?
But true, Sir never saw me in another way. As a long time, sir became my friend. Occasionally it’s time for Sir to travel around the bicycle.

I go to college Sir, every day I got home from college. Many times we ate at our house to eat at night. We do not lack anymore. All of God’s grace is with the help of sir.

My life came down in the night – Jhip Jhip was raining. Sir and I are doing the story in the room. Room darkness due to not being a car. Because Sir was very trusted, I did not think I needed to light the house. Sir once said, I say to light, and if I do not see the light, I will light the light.

In our house, eight or ten villagers enter our house. They keep commenting differently. We opened a business in Basa. My parents are doing business with me or me. We were in the room.
My head was shy with shame. I lost my knowledge.
My parents tell them why you say these things. Mohsin is my daughter’s teacher.
Is there anyone in the village who is teaching your daughter in a dark room or is mowing?
When Sir starts coming out of the house, I will hold his hand and say, Sir, do not go outside. They will insult you more.
Sir exclaimed my hand and went out of the house.
And in front of everyone in front of the head, my head shone in the second round.
Sir, what are you saying about your wife, you make a bad comment today?
The villager said – what the master said. Your wife
Yes, it would have been revealed to my wife, but more late. Today, when such a situation has happened, I can not say no more. Because of the loss of education of Mitur has not been public.
Some of the people in the village were ashamed. Because many of them cultivated Sir’s land.
When the villagers left the father, the father fell on the ground.
Mother says – are you really married?
I was standing by the door. Sir said, “What would have happened if I had not said this lie today.” They were forced to marry us. The police police did not. I could not show my face. Mitu could not show face. I could not stand up to my family relatives.
So tell the lie.
Make arrangements for your wedding. I will marry Mitu tomorrow.
Dad said – your mother will accept?
I’ll manage my mother. Before that I had some words with Mitu.
Sir said to me – Mitu, I have never seen you with the other eyes hurt the student. Today the situation forced me to decide. I will marry you But it will be the name of our marriage. You can choose someone else as a life partner next time.
I did not understand anything I would say. The cry came to the throat only.

 

 

About Rajib

Leave a Reply